Read more

পাবনার পর এবার ইন্দুবালা ভাতের হোটেল এখন বগুড়ায় 


‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ নিয়ে বগুড়ায় হৈচৈ...
------------------------------------------------
উপন্যাস থেকে নির্মিত ভারতীয় ওয়েব সিরিজ ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ ইতিমধ্যে সাড়া ফেলেছে দুই বাংলার দর্শকদের মাঝে।
তবে এবার বাস্তবেই দেখা মিলেছে ইন্দুবালা ভাতের হোটেল।
বগুড়ায় চালু হয়েছে হোটেলটি । আর চালুর সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই হৈচৈ ফেলে দিয়েছে ভোজনপ্রিয় মানুষের মাঝে ।
প্রতিদিনই হোটেলটি দেখতে ও খাবারের স্বাদ নিতে সেখানে ছুটছে নানা বয়সী অসংখ্য নারী-পুরুষ ।
ঘরোয়া পরিবেশে সাশ্রয়ী মূল্যে খাবার পরিবেশন এবং খাবারের মান নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে তারা ।
উপশহর, বগুড়া মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ”ইন্দুবালা ভাতের হোটেল”। হোটেলে প্রবেশমুখেই রয়েছে নামের সাইনবোর্ড, যেখানে রয়েছে সকালের নাশতা, দুপুরের খাবারের মেন্যু এবং মূল্যতালিকা ।
উদ্যোক্তা সাদিরা হাসান জানান,
নতুন প্রজন্মের মাঝে পুরনো দিনের খাবারের স্বাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ।
চালু হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল এই ইন্দুবালা ভাতের হোটেল।
ঘরোয়া পরিবেশে খাবার পরিবেশনে রয়েছে ভিন্নতা । কলাপাতায় খাবার পরিবেশনে বাঙালিয়ানার স্বাদ মিলছে যেখানে ।
ইন্দুবালা ভাতের হোটেলের নাম শুনে একনজর দেখতে ও খাবারের স্বাদ নিতে প্রতিদিনই ভিড় করছে নানা বয়সী অসংখ্য নারী-পুরুষ।
সাশ্রয়ী মূল্যে হারিয়ে যাওয়া নানা পদের খাবারে মুগ্ধ ভোজনরসিকরা ।
এটি বগুড়ার জন্য চমৎকার উদ্যোগ।”
হোটেলটির উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী নাদিরা হাসান জানান,
উপন্যাস ও ভারতীয় ওয়েব সিরিজ দেখে সেখান থেকে ”ইন্দুবালা ভাতের হোটেল” প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ হয়েছি ।
পুরনো দিনের হারিয়ে যাওয়া খাবার,
যেমন―নারকেল দিয়ে কচু বাটা, কুমড়োর ছককা, সোনামুগের ডাল, আম দিয়ে পাবদা মাছের ঝোল, কচু ঘণ্ট, চিংড়ি ভর্তা, বাদাম ভর্তা, শুটকি ভর্তা, হরেক রকম ভর্তা , আম দিয়ে ডালসহ হরেক রকম খাবার নিজে রান্না করে খেয়ে দেখলাম ভালোই লাগছে। ভাবলাম ভোক্তাদেরও ভালো লাগবে।
এখন মানুষের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি।’
নাদিরা হাসান বলেন, ‘এখনকার ছেলে মেয়েরা বার্গার, পিৎজাসহ অন্যান্য খাবারে বুঁদ হয়ে আছে। সে জন্য স্বাস্থ্যসম্মত বাঙালি খাবারের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পরিচয় করিয়ে দিতে চাচ্ছি।
পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলে মেয়েরা হোটেলে থাকে, তাদের বাজেট কম থাকে; তারাও এখানে কম দামে ঘরোয়া পরিবেশে সুস্বাদু খাবার খেতে পারছে।’
ইতিমধ্যে বগুড়ার এই ”ইন্দুবালা ভাতের হোটেলের” নাম ছড়িয়ে পড়েছে বগুড়ার ১২টি উপজেলায় । বিভিন্ন উপজেলা থেকে ফোন করে দেখতে আসার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন অনেকেই ।
সম্প্রতি দর্শকদের মন কেড়েছে কল্লোল লাহিড়ী রচিত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ নামের একটি ভারতীয় ওয়েব সিরিজ।
যেখানে তুলে ধরা হয়েছে একজন নারীর জীবনসংগ্রামের পাশাপাশি পুরনো দিনের অনেক সুস্বাদু বাঙালি খাবারের নাম।
যার নাম জানে না এ প্রজন্মের অনেকেই। আবার সে সব খাবারও সচরাচর এখন আর দেখা যায় না।